কিভাবে আপনি আপনার ইউটিউব চ্যানেল এবং ইউটিউব ভিডিও সিইও করবেন?
প্রতিটা ইউটিউবারই চায় তার চ্যানেলটি কেউ search দিলে চ্যানেলটি সবার আগে থাকুক/তার ভিডিওটি অনেক বেশি ভিউ হোক।
পোস্টটি শুরু করার আগে কয়েকটা কথা বলতে চাই, সেটা হচ্ছে’
ইউটিউব চ্যানেল খোলার পর এবং ভিডিও আপলোড দেয়ার পর ভিউয়ার না পাওয়ার কারনে হাল ছেরে দেন।
সাবস্ক্রাইব না পাওয়ার কারনে অনেকেই ইউটিউব থেকে সরে আসেন। এটা কিন্তু মোটেও কাম্য নয়।
আপনাকে অবশ্যইই ধৈর্য ধারন করতে হবে। নিয়মিত কাজ করতে হবে। নিয়মিত ভিডিও আপলোড দিতে হবে।
ইউটিউব চ্যানেলের ক্ষেত্রে প্রথমে আপনাকে যে কাজটি করতে হবে সেটা হচ্ছে’ চ্যানেল এর জন্য এমন একটি নাম সিলেক্ট করা। যে নামে ইউটিউবে আর কোন চ্যানেল নেই
এরপর হচ্ছে ‘চ্যানেলটাকে সুন্দরভাবে সাজানো।
সুন্দর একটি লোগো দিবেন। সুন্দর একটি Channel art! যেন আপনার চ্যানেলে দেখে ভিজিটর আকৃষ্ট হয়।
এরপর Channel Description দিন।আপনার চ্যানেলটি কি সম্পর্কে.! আপনি কি কি পোস্ট করবেন ইত্যাদি ইত্যাদি ↓
এখন আসি আসল কাজে’↓
প্রথমে আপনি আপনার মোবাইল থেকে Google chrome Browser টি Open করুন এবং দেখুন উপরে ডান পাশে তিনটি ডট দেখা যাচ্ছে সেখানে Click করে Request Desktop Version Mark করে দিয়ে Browser টি Desktop Version করে দিন। তারপর ইউটিউবে ঢুকুন এবং দেখুন উপরে ডান পাশে আপনার চ্যানেল এর লোগো দেখা যাচ্ছে সেখানে Click করে Creator Studio তে Click করুন↓
এরপর দেখুন বাম পাশে কতগুলো অপশন দেখা যাচ্ছে সেখান থেকে Channel এ Click করে Advance এ Click করুন↓
then দেখুন একটা Box দেখা যাচ্ছে’ আপনি এখানে আপনার চ্যানেলের নাম’ এবং আরো কিছু ইনফরমেশন দিন।(যেগুলো সচারচর মানুষ Search দেয়।)
সব কাজ সম্পূর্ণ হলে আপনার চ্যনেলটি Search দিয়ে দেখুন↓ সবার আগেই আসবে। একেবারে উপরেই আপনার চ্যানেলটি থাকবে।
এবার আসি ভিডিও সিইওতে
আপনার সাবক্রাইবার আছে অনেক কিন্তু সেই তুলনায় ভিডিওতে তেমন ভিউ নেই। এই ভিউ না থাকার কিছু কারন আছে↓
→ সুন্দর Thumbnail Use না করা।
→ ভিডিও ডিসক্রিপশ না দেয়া
→ ট্যাগ দিতে না পারা ইত্যাদি ইত্যাদি
কি কি করলে আপনি বেশি বেশি ভিউয়ার পাবেন সেটাই দেখাবো এখন।তো চলুন দেখে নেয়া যাক↓
ভিডিও আপলোড দেয়ার পর অবশ্যই ভিডিও রিলেটেড টাইটেল দিবেন।
সুন্দর করে ভিডিও সম্পর্কে ডিস্ক্রিপশনে কিছু লিখবেন টাইটেলটাও দিবেন।( ভিডিও সিইওর ক্ষেত্রে কিন্তু ডিসক্রিপশনটা অনেক কাজ করে)
মুল যে জিনিষটা সেটা হচ্ছে ভিডিও ট্যাগ। ভিডিও ট্যাগের ক্ষেত্রে আপনি যে ভিডিও আপলোড দিয়েছেন। সেই ভিডিওটির টাইটেল ইউটিউবে Search দিন এবং যে ভিডিওগুলো আসবে সেগুলোর টাইটেল কপি করে ট্যাগ হিসেবে ব্যবহার করুন!
ঘরে বসে ইন্টারনেটে আয় বা অনলাইনে কাজ এখন জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। চাকরির চেয়ে স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ নিয়ে অনেকেই এখন ঝুঁকছেন ফ্রিল্যান্সিংয়ে।গত কয়েক বছরে ফ্রিল্যান্স আউটসোর্সিং ক্ষেত্রটি দ্রুতগতিতে জনপ্রিয় হয়েছে।আপণই ও অনলাইনে আয় ক্লিক ছাড়ুন, সহজ ও ছোট ছোট কাজ করে সত্যিকারের ইন্টারনেট থেকে আয় করুন ... এখনতো ইন্টারনেট টাকা আয় করার একটি বিশাল মাধ্যম। কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার সফ্টওয়ার ও ইন্টানেটের সম্পর্কিত সকল সমস্যার সমাধান পেতে আমাদের সাথে থাকুন।
Search This Blog
Sunday, 26 November 2017
ইউটিউব ও ভিডিও seo (youtube & video seo) ict life bd
Thursday, 23 November 2017
৪০০ গিগাবাইটের মেমোরী কার্ড এসে গেছে
মাত্র ৪/৫ বছর আগেও যখন বাংলাদেশে এন্ড্রয়েডের প্রচলণ তেমন একটা শুরু হয় নি তখন পর্যন্ত বাজারে ১ গিগাবাইট বা ২ গিগার মেমোরী কার্ড মানের আমাদের কাছে মনে হতে কি না কি আশ্চর্য্য জিনিস! তথ্য প্রযুক্তি কখনো এক জায়গায় আটকে থাকে না। এক্ষেত্রে মেমোরী কার্ডই বা পিছিয়ে থাকবে কেন? মাইক্রো এসডি কার্ড নির্মাতা প্রতিষ্ঠান SanDisk এ বছরের আগষ্টে প্রায় ৪০০ গিগাবাইটের microSD মেমোরী কার্ড বাজারে আনার ঘোষণা দিয়েছে এবং তা বর্তমানে বাজারে এসেও গিয়েছে।
৪০০ গিগাবাইট ডাটা মাত্র ৫ স্কোয়ার মিলিমিটারের একটি ছোট্ট কার্ডে! শুনতে আজব হলেও এটা এখন বাস্তব! এখন টেক দুনিয়ায় কথা বার্তা হচ্ছে আমরা কি এই ছোট্ট মেমোরী কার্ডে আরো বেশি ডাটা প্রবেশ করাতে পারবো কি নাকি এখানে শেষ?
বর্তমান যুগে স্মার্টফোন প্রতিনিয়তই আপডেট হচ্ছে, বিশেষ করে স্মার্টফোনের ক্যামেরা এবং এপ্লিকেশনগুলো। দিন দিন স্মার্টফোনের ক্যামেরা কোয়ালিটি উন্নত হওয়ায় এর সংরক্ষিত ডাটাগুলো সাইজও দিন দিন বেড়েই চলেছে এবং তারই সাথে মর্ডান স্মাটফোনের সাথে পাল্লা দিয়ে বড় সড় সাইজে গেমসও বাজারে নিত্যনতুন বের হচ্ছে।
আমরা এখন আমাদের প্রতিদিনের বিভিন্ন সুন্দর সুন্দর মুহুর্ত্বগুলোকে 4K কোয়ালিটিতে ভিডিও করে থাকি কিংবা ৩৬০ ডিগ্রি এঙ্গেলে দারুণ সহ ছবি তুলে আমাদের সুন্দর সুন্দর স্মৃতিকে সংস্করণ করে থাকি। এই জাতীয় হাই রেজুলেশনের ছবি এবং ভিডিওগুলো অনেক স্টোরেজ ক্যাপাসিটি খেয়ে থাকে। আর তাই এই কথা মাথায় রেখেই SanDisk কোম্পানি তাদের The 400GB SanDisk Ultra microSDXC UHS-I কার্ড বাজারে এনেছে।
এই কার্ডটি কোম্পানি তাদের আগের ২০০ গিগাবাইটের মেমোরী কার্ড বাজারে ছাড়ার প্রায় ২ বছর পর বাজারে এনেছে। ৪০০ গিগাবাইটের স্টোরেজ ক্যাপাসিটির এই মেমোরী কার্ডটি প্রতি সেকেন্ডে ১০০ মেগাবাইটের ডাটা আদান প্রদান করতে সক্ষম! মানে হচ্ছে আপনি প্রতি মিনিটে প্রায় ১২০০টি হাই এন্ড পিকচার মুভ করতে পারবেন। কিন্তু দামের দিক থেকে কম নয় এই বিশাল আকৃতির মেমোরী কার্ডটি। ৪০০ গিগাবাইটের এই কার্ডটি ব্যবহার করতে হলে আপনাকে গুনতে হবে প্রায় ২৫০ ডলার বা ২১ হাজার টাকা! ২১ হাজার টাকা দিয়ে মেমোরী কার্ড কিনবেন নাকি?
তাহলে এখন প্রশ্ন থেকে যায় যে কিভাবে এটা সম্ভব? মাত্র হাফ সেন্টিমিটারে ৪০০ গিগাবাইটের ডাটা কিভারে আটানো সম্ভব? সাধারণত হাফ সেন্টিমিটারে তেমন জায়গায় পাওয়া যায় না যদি থিউরিক্যালি বলে থাকি। মাইক্রো এডসি কার্ড নির্মাতা কোম্পানিগুলো এই ছোট্ট জায়গায় মধ্যেই তাদের মেমোরী টান্সসিসটরগুলোকে ফিট করার কৌশল বের করে নিতে হয়। ২০১৩ সালে তাদের এই টান্সসিসটরগুলোর সাইজ ছিল মাত্র ১৯ ন্যানোমিটার। প্রতিটি সিঙ্গেল টান্সসিসটরে ৮ গিগাবাইটের ডাটা সংরক্ষণ করা যেত।
এখন কথা হচ্ছে মেমোরী কার্ডের আয়তন তো আর বছর বছর বেড়ে চলছে না, কিন্তু একই আয়তনে কিভাবে বছর বছর বেশি সাইজের ডাটার আয়োজন করা হচ্ছে? আর তাহলে এই টান্সসিসটরগুলোকে একটার উপর আরেকটিকে বসিয়ে মেমোরী কার্ডের ডাটার সাইজ বাড়ানো হচ্ছে। এক টান্সসিসটরের উপর আরেকটি টান্সসিসটর বসিয়ে transistor layers গঠন করে এই কাজটি করা হয়। এভাবেই ৩২ গিগাবাইটের মেমোরী কার্ড বানানো শুরু হয়।
কিন্তু এর বেশি যেতে হলেই থিউরিক্যালী আর কাজ হয় না, কারণ এর উপরে যেতে হলে আপনার চাই আরো বেশি পরিমানের টান্সসিসটর কিন্তু বেশি পরিমাণের টান্সসিসটরগুলো এই হাফ সেন্টিমিটারের মেমোরী কার্ডে স্থাপন করাটাই একটি বড় চ্যালেঞ্জ ছিলো কার্ড নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের জন্য।
১৯ ন্যানোমিটার লেভেলে ৬৪ গিগাবাইটের মেমোরীর জন্য ৮টি টান্সসিসটর লেয়ারের প্রয়োজন হতো, এই হিসেবে ৪০০ গিগাবাইট ফিট করার জন্য প্রায় ৫০টি টান্সসিসটর লেয়ারের প্রয়োজন হবে, যেটা ছোট্ট সাইজের কার্ডে বাসানো থিউরিক্যালি অসম্ভব হবে!
এবার এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাবার জন্য কোম্পানিগুলো তাদের টান্সসিসটরগুলোকেই আরো ছোট আকৃতির বানানো এবং গবেষণা করা শুরু করলো! এ বছরের আগস্টে এই টান্সসিসটর লেয়ারের সাইজ ১৯ ন্যানোমিটার থেকে ৫ ন্যানোমিটারে নিয়ে আসা হয় আর যার ফলাফল স্বরুপ আমরা পেয়ে গেছি ৪০০ গিগাবাইটের মেমোরী স্পেস একটি ছোট্ট মাইক্রোএসডি মেমোরী কার্ডে।
এভাবে অদূর ভবিষেৎ এই টান্সসিসটরের লেয়ারের সাইজ ৫ ন্যানোমিটারে নামিয়ে আনা যায় তাহলে আপনি ১ টেরাবাইটের মাইক্রোএসডি কার্ড পেতে যাচ্ছেন! আর আমার মনে হয় না, মাইক্রো এসডি কার্ডে ১ টেরাবাইটের বেশি জায়গার দরকার হবে না! দেখা যাক কি হয়!
বিশাল সাইজের মেমোরী কার্ড তো বাজারে এসে গেল! কিন্তু আমাদের স্মার্টফোনগুলো কি এই সাইজের চাপ নিতে প্রস্তুত?? এখনো অনেক স্মার্টফোন যেগুলো আমরা ব্যবহার করি সেগুলোতে ১২৮ গিগাবাইটের মেমোরী কার্ড সার্পোট করছে না, আর ৪০০ গিগাবাইট তো পরের কথা! যাই হোক আজকের টিউনটি এখানে শেষ করছি! ২১-২২ হাজারে মেমোরী কার্ড না কিনে এই দামে একটি মাঝারী কোয়ালিটির ল্যাপটপ পেয়ে যাবেন আপনি! হাহাহাহা!
মাউস বা কীবোর্ড কাজ না করলে কি করবেন / ICT LIFE BD
মাউস কাজ না করলে
উইন্ডোজে একটি সেটিংস পরিবর্তন করে বিকল্প ব্যবস্থায় চালাতে পারেন জরুরি মাউসের কাজ। এ জন্য কিবোর্ড থেকে একসঙ্গে
left ALT+ left SHIFT এবং NUM Lock কি চাপুন।
মনিটরে ছোট একটি পপ-আপ উইন্ডো আসবে। এই উইন্ডো থেকে ok প্রেস করুন।
এবার NUM Lock বাটনটি স্বয়ংক্রিয় করুন।
এতে কিবোর্ডের কি দিয়ে মাউসের কার্সর নাড়াচাড়া করা যাবে।
1, 2, 3, 4, 6, 7, 8, 9 বাটন দিয়ে মাউস পয়েন্টার নাড়ানো যাবে।
আর ৫ দিয়ে মাউসে লেফট ক্লিক এবং + দিয়ে মাউসে ডাবল ক্লিক করা যাবে।
ডান পাশে CTRL এর বামের বাটনটি মাউসের রাইট ক্লিক বাটন হিসেবে কাজ করবে।
কাজ শেষে NUM Lock অফ করলে এ সুবিধা বন্ধ হয়ে যাবে।
কিবোর্ড কাজ না করলে
যদি কিবোর্ড কাজ না করে, তাহলে কোনো কিছুই করতে পারবেন না কম্পিউটারে। এ সমস্যার সমাধান দিতে পারে উইন্ডোজের অন স্ক্রিন কিবোর্ড। অন স্ক্রিন কিবোর্ড চালু করার জন্য উইন্ডোজের
Start থেকে All Programs-এ গিয়ে
Accessories >
Accessibility >
on screen keyboard-এ ক্লিক করুন।
দেখবেন মনিটরে ভার্চুয়াল কিবোর্ড হাজির হয়েছে।
এই কিবোর্ডের বাটনে মাউস দিয়ে ক্লিক করে লেখা যাবে।